Ground Report : ব্যারাকপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হল। বুধবার থেকে ব্যারাকপুর রেলস্টেশনে স্টপেজ পেল মা তারা এক্সপ্রেস। এই স্টপেজ চালু হওয়ায় ব্যারাকপুর ও সংলগ্ন এলাকার যাত্রীদের শান্তিনিকেতন, বোলপুর এবং তারাপীঠ যাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ব্যারাকপুর বিধানসভার বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হলে ব্যারাকপুর স্টেশনে মা তারা এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়ার জন্য উদ্যোগী হবেন। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রেলমন্ত্রী-সহ রেল প্রশাসনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।
অবশেষে বুধবার ব্যারাকপুর রেলস্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে আনুষ্ঠানিকভাবে স্টপেজ দেওয়া হয় মা তারা এক্সপ্রেসকে। প্রথম দিন ট্রেনটিকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী এবং রেলের আধিকারিকরা। ঢাক-ঢোল বাজিয়ে ও ফুল ছড়িয়ে ট্রেনটিকে স্বাগত জানানো হয়। ট্রেনের চালক ও সহকারী চালকের হাতে পদ্মফুল তুলে দিয়ে এবং লাড্ডু খাইয়ে অভিনন্দন জানান বিধায়ক। এরপর সবুজ পতাকা নেড়ে রামপুরহাটের উদ্দেশে ট্রেনটিকে রওনা করা হয়।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কৌস্তভ বাগচী জানান, আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে ব্যারাকপুর স্টেশনে মা তারা এক্সপ্রেসের স্টপেজ দেওয়া হয়েছে। এই স্টেশন থেকে পর্যাপ্ত সংখ্যক যাত্রী ট্রেনটির টিকিট কাটলে ভবিষ্যতে স্টপেজটি স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি অন্যান্য দূরপাল্লার ট্রেন এবং মেট্রোরেল পরিষেবা নিয়েও বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন বিধায়ক।
এদিকে প্রথম দিন মা তারা এক্সপ্রেসে যাত্রা করতে আসা ব্যারাকপুরের যাত্রীরাও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাঁদের বক্তব্য, এতদিন এই ট্রেন ধরতে শিয়ালদহ অথবা নৈহাটি যেতে হত। ব্যারাকপুরে স্টপেজ চালু হওয়ায় যাতায়াত অনেকটাই সহজ হবে। এজন্য বিধায়কের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তাঁরা।