নাটকীয় উপনির্বাচন! রেজিনগরে ‘ইউটার্ন’ রবিউলের, প্রত্যাহার করছেন না মনোনয়ন

নাটকীয়তায় ভরা উপনির্বাচন! রেজিনগর আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েও ‘ইউটার্ন’ রবিউল আলম চৌধুরীর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হওয়ার পরই নিজের আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন তিনি। ‘ভোটযুদ্ধে’ থাকছেন রবিউল। মনোনয়ন....

নাটকীয়তায় ভরা উপনির্বাচন! রেজিনগর আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েও ‘ইউটার্ন’ রবিউল আলম চৌধুরীর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হওয়ার পরই নিজের আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন তিনি। ‘ভোটযুদ্ধে’ থাকছেন রবিউল। মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী। নতুন প্রতীক ‘ফুটবলার’ চিহ্নে লড়াই করবেন তিনি। জানিয়েছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো লড়াই করব। নতুন প্রতীক নিয়ে লড়াই হবে। আমরা আগেও অনেক নির্বাচন করেছি। অল্পকর্মী নিয়ে হলেও লড়ব। কর্মীরা সামলে নেবে।”রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন নিয়ে নাটকীয়তার শেষ নেই। নন্দীগ্রামে মমতার প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। সেখানে মমতার দল কংগ্রেসকে সমর্থন করবে। কিন্তু ‘যত কাণ্ড রেজিনগরে’। শুক্রবার থেকেই জল্পনা ছিল রবিউলও মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন। তা সত্যি করে শনিবার সকালে মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানান। ঘণ্টা খানেক আগে তিনি বলেছিলেন, “কর্মীরদের উপর চাপ আছে। ওরা থাকছে না। ভোট করাব কী করে। প্রার্থী পদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

ঘড়ির কাটা কিছুটা ঘুরতেই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে অবস্থান পরিবর্তন করলেন রবিউল। জানিয়েছেন লড়াইয়ের ময়দান ছাড়ছেন না তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁর নির্দেশ মেনে তিনি ভোটযুদ্ধে থাকছেন। মনোনয়ন প্রত্যাহর করবেন না। সিদ্ধান্ত পরিবর্তন কেন? রবিউল বলেন, “আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমি লড়াই করব।” কর্মীরা থাকছেন না, ভোট হবে কী করে? তাঁর কথায়, “যতজন থাকবে, তাঁদের নিয়েই হবে। আমরা আগেই ভোট করিয়েছি।” কিন্তু নতুন প্রতীকের সেই সমস্যা? মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জানিয়েছেন, “নেত্রীর নির্দেশে লড়াই হবে।” মমতা তাঁর হয়ে প্রচারে আসবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয় বলেই জানিয়েছেন প্রার্থী।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করেছে। মমতাপন্থীরা ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম পেয়েছে। তাঁদের প্রতীক ‘ফুটবলার’। এই প্রতীকেই লড়াই হবে। রবিউল ভোটে না লড়ায় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করায়, বঙ্গের ২৯ বছরের রাজনীতির ইতিহাসে মমতা ছাড়া নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে রেজিনগরের প্রার্থী সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় তেমনটা হবে না।